অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে মতপ্রকাশ, সংগঠন এবং সমাবেশের স্বাধীনতা সীমিত ছিল বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গত ২১ এপ্রিল প্রকাশিত সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের নির্বিচার গ্রেপ্তার এবং হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইনটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারির আগ পর্যন্ত এর অপব্যবহার চলেছে। স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের কারণে লেখক, ব্লগার ও কবিসহ অনেকেই সহিংসতার শিকার হয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে সমর্থনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরিচিত মুখ শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবরে শুরু হওয়া বিক্ষোভের সময় প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরকে হয়রানি এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট ভবনে আক্রমণের বিষয়টিও উঠে এসেছে।
বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত এবং সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হয়রানির তথ্য উঠে এসেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বার্ষিক প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

0 Comments