বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বিশ্বকবির অমর ও অম্লান স্মৃতির প্রতি এই শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বর। বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণই ছিল তার সৃজনশীলতার মূল অন্বেষা। কাব্য, সংগীত, উপন্যাস ও নাটকসহ শিল্পের প্রতিটি শাখায় তিনি মানবতা, শান্তি ও প্রকৃতির জয়গান গেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, কবির যুক্তিবোধ ও মঙ্গল ভাবনা আন্তর্জাতিকতার মর্মকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছে।
জাতীয় জীবনে বিশ্বকবির অনস্বীকার্য অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান ছিল প্রেরণার বিশেষ উৎস। তার কালজয়ী সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ আজ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য প্রথম এশীয় হিসেবে তার নোবেল বিজয় বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য অর্জন।
বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ-বিগ্রহ ও উগ্রবাদের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় আলোকিত করতে কবির প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ও তার শিক্ষাভাবনা চিরকাল পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। পরিশেষে তিনি রবীন্দ্র-জন্মবার্ষিকীর সকল আয়োজনের সফলতা কামনা করেন।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কবির শান্তি ও মানবতার দর্শন বর্তমান বিশ্বে আরও প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

0 Comments