সোমবার (৯ মার্চ) ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতদের দেখতে ইসরায়েলের ন্যাশনাল হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের আকাঙ্ক্ষা হলো ইরানের সাধারণ জনগণকে স্বৈরাচারের জোয়াল ছুড়ে ফেলতে উৎসাহিত করা। এখানে মূল কাজ, অর্থাৎ সরকার পতনের বিষয়টি পুরোপুরি ইরানের জনগণের হাতে। এটি সম্পূর্ণভাবে তাদের ওপর নির্ভর করছে।”
তিনি আরও বলেন, “গত ১০ দিনে আমরা ইরানের ক্ষমতাসীন স্বৈরাচারী সরকারের হাড় ভেঙে দিয়েছি এবং আমাদের বাহু এখনও প্রসারিত রয়েছে। যদি ইরানের জনগণ সরকারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়, সেই সাফল্যের ভাগীদার আমরাও হবো।”
নেতানিয়াহুর মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে সেটি ইসরায়েলের জন্য একটি বড় পরিবর্তন হবে এবং দেশটির স্থায়ী নিরাপত্তা হুমকির অবসান ঘটবে।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়।
এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান চালায়।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা নিহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
0 Comments