সোমবার (৯ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের চর আলগী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
দুলাল ওই গ্রামের কালু মালের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি মাঠে হাঁস খুঁজতে যান দুলাল। দীর্ঘ সময় তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে নরুদ্দিন নামের এক কৃষকের ইরি ধানের ক্ষেতে তার লাশ দেখতে পান।
জানা যায়, ওই ধানক্ষেতে ইঁদুর মারার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে রাখা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ফাঁদে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে গেলে তার ভাই রাকিবও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। খবর পেয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে ঘটনার পর থেকে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতা কৃষক নরুদ্দিন আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিহতের পরিবারের সঙ্গে টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেছেন।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। অবৈধভাবে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতা হয়েছিল। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
0 Comments