তিনি বলেন, শপথ গ্রহণের পর নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নেতা নির্বাচন করবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে বিষয়টি জানাবেন। এরপর রাষ্ট্রপতি নিয়ম অনুযায়ী তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন বা নিয়োগের প্রস্তাব দেবেন। পরে সুবিধাজনক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তিন থেকে সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
শপথের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিংবা প্রয়োজনে তিন দিন পর—দুই পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুতি রয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না—এ প্রশ্নে তিনি জানান, বিষয়টি সংসদ সচিবালয়ের এখতিয়ার।
তিনি আরও বলেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে কিছু তথ্য জানা গেলেও তা প্রকাশ করতে চান না। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে পারেন। তারা মনোনয়ন না দিলে সরকারের পক্ষ থেকে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি বা প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সম্পর্কে তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
0 Comments