জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া-পেকুয়া, উখিয়া-টেকনাফ এবং মহেশখালী-কুতুবদিয়া—এই চারটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৭ জন। ৫৯৮টি ভোটকেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৮৯টি কক্ষে ভোটগ্রহণ পরিচালনা করছেন ১২ হাজার ২৫১ জন নির্বাচন কর্মকর্তা। এর মধ্যে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রয়েছেন ৪ হাজার ৫০৩ জন এবং পোলিং কর্মকর্তা ৭ হাজার ৭৪৮ জন।
নির্বাচন ঘিরে জেলায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোট ১৩ হাজার ৪৯৯ সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ২ হাজার ১৬৬ জন সেনাসদস্য, ৮৮০ জন বিজিবি সদস্য, ৩৯৯ জন নৌবাহিনীর সদস্য, ৫০ জন বিমানবাহিনীর সদস্য, ১৪৫ জন কোস্টগার্ড সদস্য, ৮০ জন র্যাব সদস্য, ১৯০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য এবং ১ হাজার ৮১৫ জন পুলিশ সদস্য। এ ছাড়া ৭ হাজার ৭৭৪ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।
ভোটের দিন, আগের সময় এবং পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকা, সীমান্ত ও উপকূলীয় অঞ্চল এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম জানান, ৩৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এপিবিএন ও আনসার সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত, এরপর শুরু হবে গণনা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি আরও বাড়বে।
0 Comments