রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেদনপত্র জমা দেন তারা। এ সময় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু বলেন, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য এবং তা সংবিধানস্বীকৃত নারী মর্যাদা ও সমতার পরিপন্থি।
আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে তা কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর এবং নারীবিদ্বেষী। যদিও পরবর্তীতে দলীয় পক্ষ থেকে অ্যাকাউন্টটি হ্যাকড হওয়ার দাবি করা হয়, আবেদনকারীদের মতে একটি ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে হ্যাকিংয়ের দাবি যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
আবেদনকারীরা আরও উল্লেখ করেন, কথিত হ্যাকিংয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়নি। এ কারণে পুরো ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
আবেদনে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রকাশ্যে প্রত্যাহার, কর্মজীবী নারী ও নারী শ্রমিকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য না দেওয়ার অঙ্গীকার এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানান আবেদনকারীরা।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, এনপিএ মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের সংগঠক নাফিসা রায়হানা এবং আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী তাবাসসুম মেহেনাজ মিমিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
0 Comments