চিকিৎসক ডা. রাশেদুল করিম জানান, দগ্ধদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট-এ পাঠানো হয়েছে। ঢাকায় প্রেরণ করা তিনজন হলেন আবু তাহের (৪৫), আব্দুর রহিম (৪৫) এবং মোহাম্মদ সিরাজ (২৪)।
চিকিৎসকদের তথ্যমতে, আবু তাহেরের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ এবং শ্বাসনালী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ এবং মোহাম্মদ সিরাজের ৬০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর অবস্থার কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাদের চমেকের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।
আবু তাহেরের ছেলে সোহেল জানান, রাত ৮টার দিকে তারা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এর আগে বুধবার রাতে কলাতলী এলাকায় অবস্থিত কক্সবাজার ফিলিং স্টেশন নামের একটি এলপিজি পাম্পে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আবু তাহেরসহ মোট ১০ জন দগ্ধ হন।
আবু তাহের পেশায় সিএনজি চালক এবং তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার কাটাবনিয়া এলাকায়। তিনি কলাতলীর বড়ছড়া ঝরঝরি কুয়া এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। অপর দগ্ধ আব্দুর রহিম কলাতলীর বাসিন্দা এবং গ্যাস পাম্পসংলগ্ন একটি গ্যারেজের মালিক। মোহাম্মদ সিরাজের বাড়ি রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা এলাকায়।
ঘটনায় আহত আরও তিনজন বর্তমানে চমেকের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া দুইজন কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসায় সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
0 Comments