ঢাকার উত্তরার ব্যবসায়ী জিয়াবুল হাসান বলেন, “লাইফগার্ড না থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। শুনলাম সেবা চালু আছে, এতে ভরসা পেলাম। কক্সবাজারে গোসল বন্ধ হলে কেউ আর আসবে না।”
হোটেলমালিকদের তথ্যমতে, প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ পর্যটক কক্সবাজার সৈকতে আসেন। হোটেল-রেস্তোরাঁসহ অন্তত ১৭টি খাতে ব্যবসা হয় হাজার কোটি টাকার। তবু এত দিনেও সৈকতে সরকারিভাবে একজন ডুবুরি বা জরুরি চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।
0 Comments