এ ঘটনায় জেলা বিএনপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিএনপির সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ পলাশ অভিযোগ করে বলেন, “আমরা জামিন পেলেই নতুন মামলা দিইয়ে আটক হই, অথচ সাত মামলার আসামি কীভাবে দেশ ছাড়ে?” সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হজরত আলী দাবি করেন, টাকা ও প্রভাব খাটিয়েই পুলিশসহ সুবিধাভোগীদের সহায়তায় চন্দন পাল পালাতে সক্ষম হয়েছেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত চন্দন কুমার পালকে ৯ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর বিশেষ ক্ষমতা আইনে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর সেই মামলাতেও জামিন মেলায় সোমবার সকালে তিনি মুক্তি পান। শেরপুর জেলা কারাগারের জেলার আব্দুস সেলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবরও ভারত যাওয়ার সময় বেনাপোল বন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে শেরপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিল।
0 Comments