খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ইলিয়াস খান জানান, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা চলছে।
সাদ্দাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছে। এছাড়া তার ছোট বোনকে ছাত্রলীগ নেতা রাফি প্রায়ই ইভটিজিং করত। এর জের ধরে সোমবার রাতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন কর্মী আমজাদকে পথরোধ করে ছুরিকাঘাত করে।
আমজাদের হত্যার খবর পেয়ে বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লুৎফুর রহমান কাজল হাসপাতালে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা ভয়াবহ, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাতে শহরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রলীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গ্রেপ্তার না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
পরিবার জানায়, নিহত আমজাদ ছিলেন কুরআনের হাফেজ এবং দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দুই বছর আগে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন।
0 Comments