তল্লাশিতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মৌসুমী আক্তারের সরকারি গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়, যেগুলোর বেশিরভাগই মেয়াদোত্তীর্ণ। এসব ওষুধ প্রান্তিক খামারিদের জন্য বরাদ্দ থাকলেও বিতরণ না করে গাড়িতেই মজুত রাখা হয়েছিল। এতে ওষুধ অকেজো হয়ে পড়ে এবং খামারিরা বঞ্চিত হন।
ঘটনার পর গাড়িচালককে আটক করা হলেও খামারিরা অভিযোগ করেন, মূল দায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি সম্পদ নষ্টের অধিকার কারও নেই, দায়ীদের কঠোর শাস্তি হবে।
পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ওষুধগুলো জব্দ করা হয় এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার জেলা ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। ইতোমধ্যে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জবাইদুল কবিরকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
খামারিদের দাবি, কিছু কর্মকর্তা ওষুধ কোম্পানির সঙ্গে যোগসাজশে সরকারি ওষুধ আটকে রাখে, যাতে বেসরকারি কোম্পানির বিক্রি বাড়ে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্তে প্রমাণ মিললে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
0 Comments