ক্ষতিগ্রস্ত খামারি শামসু মিয়া জানান, ব্যাংক ও এনজিও থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে হাঁস পালন শুরু করেছিলেন। কিন্তু এক রাতে সব শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং জানান কীভাবে ঋণ শোধ করবেন বুঝতে পারছেন না। খামারের কর্মীও জানান, তিনি একজনকে দৌড়ে পালাতে দেখেছেন। ভুক্তভোগীর ভাই মজনু মিয়া সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
স্থানীয় চেয়ারম্যান পুতুল রানী ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে খামারিকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শুভজিৎ পাল বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাননি। অন্যদিকে, থানার এসআই মনিরুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
0 Comments