সী সেইফ লাইফ গার্ডের টিম ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে দাতা সংস্থা প্রথমে ৬ মাস, পরে আরও ৩ মাস মেয়াদ বাড়ায়। ফলে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে, তবে অক্টোবর থেকে এটি চলবে কিনা অনিশ্চিত।
সংস্থাটি ২০১২ সালে প্রাথমিকভাবে এবং ২০১৪ সালে পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে কাজ শুরু করে। গত এক বছরে সাগরে গোসলে নেমে ১১ পর্যটকের মৃত্যু হলেও ৭৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গত এক দশকে ৬৩ জনের মৃত্যু এবং ৭৮২ জনকে উদ্ধার করেছে টিমটি।
ঢাকা থেকে আগত পর্যটক আসিফুর রহমান বলেন, “লাইফগার্ড কর্মীরা সবসময় সতর্কবার্তা ও উদ্ধার কার্যক্রমে তৎপর থাকেন। তারা না থাকলে ঝুঁকি বেড়ে যাবে।”
সিসেফ লাইফ গার্ড টিম লিডার ওসমান গনি জানান, ২৭ কর্মী নিজেদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে যেমন চিন্তিত, তেমনি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত।
সেন্টার ফর ইনজুরি প্রেভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশের সিনিয়র এডভাইজার ড. শাইকুল ইসলাম হেলাল বলেন, “দাতা সংস্থা জানিয়েছে তারা মেয়াদ আর বাড়াবে না। মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ে কথা বলা হলেও এখনো আশার আলো নেই।”
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন বলেন, “আমরা দাতা সংস্থাকে চিঠি দিয়ে প্রকল্প চালিয়ে আসছি। মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি, তবে এখনো কোনো উত্তর আসেনি।”
0 Comments