নিহত দুর্জয় পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকার বাসিন্দা ও চকরিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন।
দুর্জয়ের বাবা কমল চৌধুরী অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের চেক জালিয়াতি ও নগদ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে তাঁর ছেলেকে থানায় সোপর্দ করা হয়। এর আগেই দীর্ঘ ১০–১২ দিন ধরে দুর্জয়ের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে তাঁকে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হলে তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন।
পুলিশ জানায়, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানম থানায় লিখিত অভিযোগ করেন দুর্জয় চেক জালিয়াতি ও নগদে ২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এরপর তাঁকে থানায় আটক রাখা হয়। রাত ১টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত দুর্জয়কে হাজতের ভেতর হাঁটাহাঁটি করতে দেখা যায়। ভোরে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানম বলেন, দুর্জয় প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কারণে থানায় অভিযোগ করা হয়। তাঁর দাবি, দুর্জয়কে জিম্মি করে রাখা বা খারাপ আচরণের অভিযোগ সঠিক নয়।
এদিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, হাজতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দুর্জয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
0 Comments