তবে তাদের খাবার হিসেবে বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বাঘগুলোর খাঁচার সামনে রাখা মাংসে পচা গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা বাঘগুলো মুখে দিচ্ছে না।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, মাংস সরবরাহকারী এবং পার্ক কর্তৃপক্ষের মধ্যে এ নিয়ে দায়সারা বক্তব্য ও দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কেউই সরাসরি দায় স্বীকার করেনি।
স্থানীয় প্রাণীপ্রেমীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পরিবহন শেষে ক্লান্ত ও মানসিক চাপে থাকা বাঘদের পুষ্টিকর ও সতেজ খাবার দেওয়ার পরিবর্তে বাসি মাংস খাওয়ানো হলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে। বিষয়টি দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
0 Comments