বিশেষ করে রোহিঙ্গা নারীদের অনিয়ন্ত্রিতভাবে সন্তান জন্মদান জনসংখ্যা বিস্ফোরণের আশঙ্কা তৈরি করছে। প্রতিদিন গড়ে ১৩০-১৩৫ জন শিশু জন্ম নিচ্ছে, অর্থাৎ ঘণ্টায় প্রায় ৬টি শিশু। এই হারে বছরে প্রায় ৫০ হাজার শিশু যুক্ত হচ্ছে এই জনগোষ্ঠীতে।
📌 তথ্য বলছে, ক্যাম্পজুড়ে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম কার্যকর নয়। অনেক পরিবারে সন্তান সংখ্যা ১৯-২০ জন। ‘মাথাপিছু’ সহায়তা সুবিধার কারণে জন্মদানকে রোহিঙ্গারা একধরনের কৌশল হিসেবেও দেখছে, বলছেন এনজিও কর্মীরা।
🔍 স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এনজিও সূত্র মতে, গর্ভবতী নারীদের সেবার পাশাপাশি জন্মনিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চললেও তা কোনো প্রভাব ফেলছে না।
অনেক রোহিঙ্গা মনে করেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ ধর্মবিরোধী কাজ। পাশাপাশি বাল্যবিবাহের হারও অত্যধিক, ফলে কিশোরী বয়সেই অধিকাংশ মেয়ে সন্তান জন্ম দিচ্ছে।
⚠ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশ। শুধু ২০২৪ সালেই নতুন করে ৭০ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ১০ বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জনসংখ্যা পৌঁছাতে পারে ২০ লাখে, যা স্থানীয় জনজীবন, পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
🌿 বন উজাড়, সংক্রমণজনিত রোগ ছড়ানো, এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে এই অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৫ আগস্টের পর এনজিওগুলোর ওপর জবাবদিহিতা জোরদার করা হয়েছে।
0 Comments