আল-আউলাকি তার বার্তায় বলেন, “গাজায় যা হচ্ছে, তা সব ‘রেডলাইন’ অতিক্রম করেছে। এবার প্রতিশোধ গ্রহণ বৈধ।” ভিডিওটিতে ট্রাম্প ছাড়াও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তা পিট হেজসেথ-এর ছবি তুলে ধরা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজার চলমান সংকট আন্তর্জাতিক উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর জন্য আবারও কার্যক্রম জোরদারের সুযোগ তৈরি করছে। ইয়েমেনভিত্তিক বিশেষজ্ঞ মোহাম্মেদ আল-বাশা জানান, এই ভিডিও জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারকদের জন্য সতর্কবার্তা, যা প্রমাণ করে যে ইয়েমেন এখনো জিওপলিটিক্যালভাবে প্রাসঙ্গিক ও অস্থিতিশীল।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে গঠিত ইয়েমেনের আল-কায়েদা শাখা (AQAP) ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর সবচেয়ে সক্রিয় ও ভয়ংকর জঙ্গি সংগঠনে পরিণত হয়। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরদারিতে থাকলেও সংগঠনটি মাঝেমধ্যে হুমকি দিয়ে থাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ভিডিওর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট কতটা বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে, তারই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
0 Comments