স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগের উপসর্গ মৃদু এবং তারা বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে হঠাৎ এ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগীদের নিবিড় নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২২ মে পর্যন্ত ভারতে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫৭ জন, যেখানে এখন তা হাজার ছাড়িয়েছে। অথচ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৫ জন।
বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক ছড়ানো করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয় ২০১৯ সালের শেষভাগে চীনে। এরপর এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দেয়। ভারতও এই ভাইরাসের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছে। আবারও সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেশটির জন্য উদ্বেগজনক বার্তা হয়ে উঠছে।
0 Comments