ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত ১০টার দিকে, যখন ট্রেনটি কালুরঘাট সেতুতে পৌঁছায়। সেসময় সেতুর ওপর একটি গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলে অন্যান্য যানবাহন আটকে পড়ে। ট্রেনটি দ্রুতগতিতে এসে সেগুলোর সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সিএনজি চালক তৌহিদুল ইসলাম ও তার যাত্রী, দুই বছরের শিশু মেহেরিমা নূর।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ট্রেনের গতি ছিল অনুমোদিত ১০ কিলোমিটারের চেয়ে অনেক বেশি — প্রায় ৩০-৪০ কিমি। চালক কোনো রকম সংকেত না নিয়েই সেতুতে প্রবেশ করেন বলে জানিয়েছেন স্টেশনমাস্টার মো. নেজাম উদ্দিন।
ঘটনার পরপরই বিভাগীয় রেল কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একইসাথে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে গার্ড সোহেল রানা, লোকোমাস্টার গোলাম রসুল, সহকারী লোকোমাস্টার আমিন উল্লাহ এবং অস্থায়ী গেট কিপার মাহবুবকে।
তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রাম রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতালে।
0 Comments