প্রসঙ্গত, রিজভী তার বক্তব্যে দাবি করেন, “ভারত কখনোই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখতে চায় না। বরং বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে পুশ-ইন, সীমান্ত হত্যা, পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা ও জেলেদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।”
রিজভীর এই বক্তব্য এবং এনসিপি নেতার প্রকাশ্য সমর্থন রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। কেউ একে প্রতিবেশী সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক দূরত্ব বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ একে জনমতের প্রতিফলন বলে ব্যাখ্যা করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি রাজনৈতিক দলগুলোর এমন অবস্থান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
0 Comments