প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় লঞ্চটি ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কিন্তু পোস্তগোলা সেতু অতিক্রম করার আগেই লঞ্চের একটি প্রপেলার ভেঙে যায়, যা জানার পর বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা লঞ্চের মাস্টারকে যাত্রা বাতিল করে ফিরে আসার নির্দেশ দেন। মাস্টার শুক্কুর আলী ও ড্রাইভার মিজানুর রহমান প্রথমে ফোনে বিষয়টি স্বীকার করলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। এরপর নির্দেশনা উপেক্ষা করে লঞ্চটি এক ইঞ্জিনে চালিয়ে শুক্রবার সকালে বরিশালে পৌঁছায়, যা সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করে।
ঘটনার পরদিন শুক্রবার সকালে বরিশাল পৌঁছালে যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চ কর্মীদের বাগ্বিতণ্ডা ও হট্টগোল শুরু হয়। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় কোস্টগার্ড। তখন লঞ্চ মালিক মনজুরুল ইসলাম ফেরদৌসসহ তাঁর দল কোস্টগার্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং সরকারি কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় কোস্টগার্ড কনটিনজেন্ট কমান্ডার শাহজালাল বরিশাল কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় লঞ্চ মালিকসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ম্যানেজার মো. বিল্লাল হোসেন ও মাস্টার শুকুর আলী গ্রেফতার হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএ বলেছে, সরকারের ভাবমূর্তি ও যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চটির চলাচল স্থগিত থাকবে।
0 Comments