অন্যদিকে চৌমুহনীর মোহাম্মদ হান্নান ২০টি চামড়া কিনেছিলেন, প্রতিটিতে গড়ে ৪০০ টাকা খরচ হয়। আড়তদারেরা প্রতিটির দাম ১০০-২০০ টাকা বলায় শেষমেশ তিনি সেগুলো পুঁতে ফেলেছেন। হাটহাজারীর মোহাম্মদ মনজু মিয়া ১০০টি চামড়া কিনে শেষমেশ ১২০ টাকা দরে বিক্রি করেন, যেখানে তাঁর ক্রয়মূল্য গড়ে ছিল ৫০০ টাকা।
একই পরিস্থিতি আরও অনেক মৌসুমি বিক্রেতার। কেউ বিক্রি করতে না পেরে চামড়া ফেলে গেছেন, কেউ লোকসানে বিক্রি করেছেন। ষাটোর্ধ্ব মোহাম্মদ বেলাল ৫০ টাকা লোকসানে হলেও সব চামড়া বিক্রি করতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
চামড়া কেনাবেচায় এমন বিপর্যয়ের পেছনে আড়তদারদের দোষারোপ করছেন বিক্রেতারা। তবে বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনেকে অতিরিক্ত দাম চেয়েছেন এবং দেরিতে চামড়া আনায় তা নষ্ট হয়েছে। এজন্য সমস্যা হয়েছে।
এবার চট্টগ্রামে চার লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, যা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে মৌসুমি বিক্রেতারা যে হতাশায় পড়েছেন তা থেকে উত্তরণের জন্য ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
0 Comments