রোববার (৮ জুন) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভা মিলনায়তনে পেশাজীবী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, অতীতের অন্যায় কেউ করলে তার ফল পেয়েছে, আরও পাবে এবং বাকিটা আখিরাতে পাবে।
তিনি অভিযোগ করেন, “আমার বিরুদ্ধেও যুদ্ধাপরাধের মামলা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, অথচ আমার বয়সও তখন সে রকম ছিল না, আমি কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। কেবল জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেই আমাকে যুদ্ধাপরাধী বানাতে চেয়েছে। কুলাউড়ার কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনো খারাপ কথা বলেনি—এ ঋণ আমি কখনো শোধ করতে পারব না।”
নেতা-কর্মীদের প্রতিহিংসা পরিহার করতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিহিংসার রাজনীতি দেশকে অসুরের সমাজে পরিণত করবে। আমাদের দরকার নৈতিক শিক্ষায় গড়ে ওঠা প্রজন্ম, যাদের হাত ঘুষ নিতে কাঁপবে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা শেখানোর কেন্দ্র করতে হবে। আমরা যাঁরা উচ্চশিক্ষা পেয়েছি, জাতির টাকায় তা পেয়েছি। এটি যদি শিক্ষার্থীদের শেখানো যেতো, তাহলে তারা কখনো দুর্নীতিপরায়ণ হতো না।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নেতা মো. ফখরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুর রহমান, মো. ইয়ামির আলী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও শাহীন আহমদ খান প্রমুখ।
0 Comments