পুলিশ জানিয়েছে, অনুরাধা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্রের অংশ। দালালদের মাধ্যমে সাধারণ ও ব্যাকুল পুরুষদের কাছে মেয়ের ছবি পাঠিয়ে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করত এই চক্র। বিয়ের পর কিছুদিন স্বামীর ঘরে থাকলেও রাতের আঁধারে কৌশলে পালিয়ে যেতেন অনুরাধা।
সাওয়াই মাধোপুরের বিষ্ণু শর্মা প্রথম অভিযোগ করেন এই প্রতারণার বিরুদ্ধে। তিনি জানান, অনুরাধাকে বিয়ে করতে তিনি দুই দালালকে ২ লাখ টাকা দেন, কিন্তু মাত্র ১২ দিন পর অনুরাধা সব মূল্যবান নিয়ে নিখোঁজ হন। বিষ্ণুর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ‘আন্ডারকভার অপারেশন’ চালিয়ে তাকে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই প্রতারণার পেছনে দালালদের একটি সুসংগঠিত চক্র রয়েছে এবং তাদেরও দ্রুতই গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান চলছে।
0 Comments