আসিয়ান কাপে অন্তত তিন থেকে চার পয়েন্ট অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। তবে মাঠের খেলায় সেই লক্ষ্যের প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া ও শেখ মোরসালিনরা। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই হেরে আসিয়ান কাপ থেকে হতাশাজনক বিদায় নিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে তিন গোলে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এক গোলে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর গ্রুপ পর্বের নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হয় দল। বৃহস্পতিবার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশকে নয়-দুই গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে ইন্দোনেশিয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা ইন্দোনেশিয়া একাদশ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায়। রোমিনির বাড়ানো বল থেকে মিসেল বেকার লক্ষ্যভেদ করে দলকে এগিয়ে নেন। পরবর্তীতে উনিশ মিনিটে আবারও কাউন্টার অ্যাটাকে গোল আদায় করেন বেকার। বত্রিশ মিনিটে রিদো রিজকির জোরালো শট থেকে ব্যবধান তিন শূন্য করে স্বাগতিকরা। এরপর ছত্রিশ মিনিটে শুকির ক্রসে শাহরিয়ার ইমন হেডের মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম গোলটি পরিশোধ করেন। তবে সেই গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই বেকারের চতুর্থ গোল এবং যোগ করা সময়ে হাবনার জাস্টিনের গোলে স্কোরলাইন ছয় এক করে ইন্দোনেশিয়া। বিরতির পর বাংলাদেশ দলে কিছু পরিবর্তন আনা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে গোলরক্ষক শ্রাবণের দারুণ কিছু সেভের সুবাদে বড় ব্যবধানের হার থেকে কিছুটা রক্ষা পায় দল। ম্যাচের শেষ দশ মিনিটে ফের ঝাপিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। ৯০ মিনিটে লিউক গোল করার পর এক মিনিট বাদে রাকিবের অ্যাসিস্টে ফারহান আলী ওয়াহিদ একটি গোল শোধ দেন। খেলার অন্তিম মুহূর্তে খেলোয়াড়দের মাঝে সামান্য উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও দ্রুতই তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। পরবর্তীতে অতিরিক্ত সময়ে আরও দুটি গোল আদায় করে ইন্দোনেশিয়া। এর মধ্যে মিসেল বেকার নিজের পঞ্চম গোল পূর্ণ করেন। সব মিলিয়ে নয়-দুই গোলের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয় বাংলাদেশ। এই জয়ে আসিয়ান কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইন্দোনেশিয়া, আর টানা তিন হারে গ্রুপ পর্ব থেকেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ।
আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে নয়-দুই গোলের বড় ব্যবধানে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ দল।


0 Comments