আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর করা মন্তব্যকে একটি ভালো রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচনের সঠিক সময় নির্ধারণের আগে স্থানীয় নানা বাস্তবতা, এসএসসি পরীক্ষা, রমজান মাস, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম। বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে ইউনেস্কোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক সম্পন্ন হওয়ার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর সম্ভাব্য সময়সীমার বক্তব্যের বিষয়ে কমিশনের অবস্থান জানতে চাইলে ইসি সচিব শফিউল আজিম জানান, এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কমিশন চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। তবে মন্ত্রীর উল্লেখিত সময়টিকে একটি ইতিবাচক রেফারেন্স বা দিকনির্দেশনা হিসেবে ধরে নিয়েই কমিশন তাদের পরবর্তী কার্যক্রম সাজাবে। নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে করা অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব শফিউল আজিম বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে ভবিষ্যতের বিষয় এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সবাই একমত। বিগত ১২ ফেব্রুয়ারি একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা আমাদের ভবিষ্যৎ কাজের একটি মানদণ্ড তৈরি করে দিয়েছে। সেই অর্জিত মানদণ্ড ধরে রাখা কিংবা তার চেয়েও ভালো কিছু করা এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। ভোটের সামগ্রিক প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে ইসি সচিব শফিউল আজিম জানান, হালনাগাদ ভোটার তালিকা, প্রয়োজনীয় সব নির্বাচনী উপকরণ এবং ভোটকেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে স্থানীয় পর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী দিনে এসএসসি পরীক্ষা, সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রোজা, নানান ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় কর্মসূচিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করার পর কমিশন নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে রেফারেন্স হিসেবে দেখছে ইসি। তবে ভোটের সময় চূড়ান্ত করার আগে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সচিব।


0 Comments