ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, হত্যার সন্দেহে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, হত্যার সন্দেহে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশ থেকে উদ্ধার হওয়া মুখে স্কচটেপ পেঁচানো মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে এবং গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন। আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ইসমাইল বেকার ছিলেন। জামালপুরে তার পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে এবং তারা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে কয়েকটি সন্দেহভাজন গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসমাইলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর ওই গাড়িগুলোর যেকোনো একটি থেকে মরদেহটি এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়েছে। গাড়িগুলো আটক করা সম্ভব হলে এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করা যাবে বলে মনে করছে পুলিশ।

এর আগে শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় তার মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল এবং পরনে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি ছিল। বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সংক্ষেপে:
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার হওয়া মুখে স্কচটেপ দেওয়া মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত ইসমাইল হোসেন জামালপুরের বাসিন্দা। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, হত্যার সন্দেহে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ

0 Comments