ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

এডিস মশা নিধনে ব্যবহৃত ৬টি ওষুধের ৫টিই অকার্যকর, ঢাকা ও চট্টগ্রামে গবেষণায় উদ্বেগ

এডিস মশা নিধনে ব্যবহৃত ৬টি ওষুধের ৫টিই অকার্যকর, ঢাকা ও চট্টগ্রামে গবেষণায় উদ্বেগ

ঢাকা ও চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা মারার জন্য ব্যবহৃত অধিকাংশ ওষুধই এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ছয়টি মশানাশকের মধ্যে পাঁচটির বিরুদ্ধেই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এডিস মশা। জাপানের ইনস্টিটিউট অব হেলথ সিকিউরিটির সহযোগিতায় ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই গবেষণার তথ্য সম্প্রতি থাইল্যান্ডে এক সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, পাইরেথ্রয়েড ও কার্বামেট শ্রেণির ওষুধগুলোতে মশা আর মরছে না। বিশেষ করে পারমেথ্রিন নামক ওষুধটির মাত্রা ১০ গুণ বাড়ানোর পরও ঢাকা ও চট্টগ্রামে যথাক্রমে ৭৯ ও ৮৪ শতাংশ মশা বেঁচে ছিল। তবে অর্গানোফসফেট শ্রেণির ম্যালাথিয়ন এখনো কার্যকর রয়েছে, যা প্রয়োগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৯৮ শতাংশ মশা নিধনে সক্ষম হয়েছে। আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তৌহিদ উদ্দিন আহমেদ এই পরিস্থিতিকে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন। জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেনের মতে, এখন শুধু রাসায়নিকের ওপর নির্ভর না করে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার ও নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

সংক্ষেপে:
ঢাকা ও চট্টগ্রামে এডিস মশা নিধনে ব্যবহৃত ৬টি কীটনাশকের মধ্যে ৫টিই অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। মশা মারার এসব ওষুধে প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস।
এডিস মশা নিধনে ব্যবহৃত ৬টি ওষুধের ৫টিই অকার্যকর, ঢাকা ও চট্টগ্রামে গবেষণায় উদ্বেগ

0 Comments