কুমিল্লার আঁধারিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে দুটি গরু চুরি করে পালানোর অভিযোগ উঠেছে জামাই আলিমুজ্জামানের বিরুদ্ধে। ঋণের বোঝা সইতে না পেরে তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করছেন তার স্ত্রী মমিনা। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আলিমুজ্জামান হোসেনপুর বাজারে ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় লোকসানের কারণে দোকান বিক্রি করেও তিনি ঋণমুক্ত হতে পারেননি। পাওনাদারদের চাপের মুখে তিনি শ্বশুর কেরামত আলীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই গত রাতে তিনি দুটি গরু নিয়ে চম্পট দেন। কেরামত আলী গরু দুটি কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য লালন-পালন করছিলেন।
ভুক্তভোগী কেরামত আলী ও তার ছোট ছেলে হানিফ গরু দুটির সন্ধানে মীরবহরি ও হোসেনপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছেন। মেয়ের জামাইয়ের এমন কর্মকাণ্ডে সামাজিকভাবে লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ কেরামত আলী।
এদিকে স্বামীর এমন আচরণে ভেঙে পড়েছেন মমিনা। তিনি জানান, বিয়ের দুই বছরের মাথায় তাদের সংসারে এমন বিপর্যয় নেমে আসবে তা তিনি কল্পনাও করেননি। মমিনার মা ছেনোয়ারা বেগমও এই ঘটনায় জামাইয়ের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে এই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারটির মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে শ্বশুরবাড়ির গরু চুরি করে পালিয়েছেন জামাই আলিমুজ্জামান। এই ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্ত্রী মমিনা ও তার পরিবার। আঁধারিয়া গ্রামের এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।


0 Comments