ব্রেকিং নিউজ

ব্রেকিং নিউজ

ফটিকছড়ি-রামগড় সড়কে বড় বড় গর্ত ও কাদা: সংস্কারের অভাবে চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

ফটিকছড়ি-রামগড় সড়কে বড় বড় গর্ত ও কাদা: সংস্কারের অভাবে চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেয়াকো-ধুলিয়াছড়ি-বাগানবাজার হয়ে খাগড়াছড়ির রামগড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতায় সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। বৃষ্টির পানি জমে এসব গর্ত ছোট ডোবায় পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন দুই উপজেলার প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ধুলিয়াছড়ি থেকে বাগানবাজারের রাজারঘাট হয়ে রামগড়মুখী সড়কের বিভিন্ন অংশে হাঁটুসমান কাদার সৃষ্টি হয়েছে। গভীর গর্ত এড়াতে যানবাহনগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে চলাচল করছে, যার ফলে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। হেয়াকো বনানী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী রাহেলা আক্তার ও স্কুলশিক্ষক হাসনাহেনা জানান, কাদা-পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে নিয়মিত তাদের পোশাক ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী রহিম মিয়া বলেন, রাস্তার বেহাল দশায় পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক কামাল উদ্দিন জানান, পথে পথে গর্ত থাকায় প্রায়ই গাড়ি বিকল হয়ে যাচ্ছে, যা তাদের আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন সড়কটির বর্তমান নাজুক অবস্থা সম্পর্কে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করেছেন বলে জানান। এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) জুনাইদ আবছার চৌধুরী বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের অবশিষ্ট সাড়ে সাত কিলোমিটার অংশ সংস্কারের জন্য একটি প্রস্তাব একনেক সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ শুরু হবে। ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংক্ষেপে:
ফটিকছড়ি-রামগড় সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই উপজেলার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। বড় বড় গর্ত আর কাদায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।
ফটিকছড়ি-রামগড় সড়কে বড় বড় গর্ত ও কাদা: সংস্কারের অভাবে চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

0 Comments