ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী রবিবার (৯ আগস্ট) একদিনের এই সফরে তিনি উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন কার্যক্রম, ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দলীয় সাংগঠনিক সভাসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় তিনি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে পৌঁছাবেন। সেখানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি। এরপর দুপুর ১২টায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন। দুপুর ১টায় ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং পরে হাটহাজারী মাদ্রাসায় মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফির কবর জিয়ারত করবেন। বিকেলে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে পুনর্বাসন কর্মসূচিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক সাংগঠনিক সভায় মিলিত হবেন তিনি। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, সরকার বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ বিরাজ করছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন জানান, সফর নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রবিবার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে আসছেন। উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন ও দলীয় সভায় অংশ নেবেন তিনি। ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপি।


0 Comments