যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত লোকিয়েল শহরে মেক্সিকো সীমান্ত ঘেঁষে ৩০ ফুট উঁচু প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই প্রকল্পের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ২০০ বছরের পুরনো একটি বিশাল কটনউড গাছ। গাছটি রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেছেন। গত ২৭ জুলাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই এলাকার আরও তিনটি বড় গাছ কেটে ফেলার পর থেকেই আন্দোলন তীব্রতর হয়। বর্তমানে অবশিষ্ট শেষ বড় গাছটি ঘিরে তাঁবু খাটিয়ে অবস্থান করছেন কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী। এমনকি পালাক্রমে গাছের ওপর উঠে ব্যানার টাঙিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের কাছে এই গাছটি কেবল প্রকৃতির অংশ নয়, বরং ঐতিহ্যের প্রতীক। তারা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি'র মতোই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। পরিবেশবাদী সংগঠন ম্যাড্রিয়ান আর্কিপেলাগো ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা কেট স্কট জানান, কটনউড স্থানীয় বাস্তুসংস্থান ও সৌন্দর্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই গাছ কেটে ফেলাকে তিনি ধ্বংসযজ্ঞ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিক্ষোভকারীরা মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কাছে গাছটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হলেও বন্যপ্রাণীরা চলাচল করতে পারত। কিন্তু এখন ৩০ ফুট উঁচু দেয়াল নির্মাণ করা হলে ভালুক ও শজারুসহ বিভিন্ন প্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে।
মেক্সিকো সীমান্তে ৩০ ফুট উঁচু প্রাচীর নির্মাণে ২০০ বছরের পুরনো কটনউড গাছ কাটার প্রতিবাদে উত্তাল অ্যারিজোনা। পরিবেশ রক্ষায় গাছের ওপর উঠে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বিক্ষোভকারীরা।


0 Comments