পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি খালের ৫৮টি অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ ও স্লুইসগেটে বসানো জাল অপসারণ করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের মটকাভাঙা এলাকার নুরুল আলমের বাঁধ কাটার মাধ্যমে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রভাবশালী মহলের দেওয়া এসব অবৈধ বাঁধের কারণে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় প্রতি বর্ষায় এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিত। এতে প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিল। এছাড়া ২০টি মৎস্যঘেরের মাছ ভেসে যাওয়া এবং কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতিতে কোটি কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছিল স্থানীয়দের। গত ১৮ জুলাই বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনকালে পেকুয়া-চকরিয়া আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মগনামার সরকারি খালের এসব অবৈধ বাঁধ অপসারণে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদকে যৌথ নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনার আলোকেই এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযান চলাকালে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী জানান, জনস্বার্থে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বদিউল আলম, পরিষদ সচিব মো. আবদুর রাজ্জাক, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলমসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
পেকুয়ার মগনামায় সরকারি খালের ৫৮টি অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ করেছে ইউনিয়ন পরিষদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় এই উদ্যোগের ফলে ৩ হাজার পরিবারের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগ লাঘব হবে।


0 Comments