ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) তাদের নামে বিভিন্ন জাতীয় টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্প্রতি প্রচারিত সংবাদগুলোতে উপস্থাপিত তথ্য ও অভিযোগগুলো কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি বা দাপ্তরিক অবস্থানের প্রতিফলন নয়।
রোববার (২০ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ইইউবি কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘ইইউবিতে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ: দুদক-এনবিআরকে তদন্তের আহ্বান’ শীর্ষক সংবাদগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সের বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, অপসারণ বা প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই। নিয়োগপত্রের শর্তানুযায়ী, এই বোর্ড কেবল একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ইউজিসির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের কাছে জমা দেবে। প্রতিবেদন অনুমোদনের পর এই বোর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও অভিযোগ করেছে যে, বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স তাদের নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এমনকি প্রচলিত নিয়ম লঙ্ঘন করে কয়েকজনকে নিয়োগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে একটি ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে, যার ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মহামান্য হাইকোর্ট উক্ত বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সকে তিন মাসের জন্য কোনো ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন না করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ যাচাই ছাড়া এমন সংবাদ প্রকাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় প্রকৃত তথ্য যাচাই করে প্রতিবাদলিপিটি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ সংশোধনের জন্য গণমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ।
ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের খবরকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিভ্রান্তি দূর করতে সঠিক তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।


0 Comments