হবিগঞ্জ শহরের থানার মোড় এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে ছাত্রদলের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংঘটিত এই ঘটনায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও জেলা সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মুবিনসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় এবং তাদের বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
আহত সারজিস আলম অভিযোগ করেন, হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর হাত ভেঙে গেছে এবং মাথা ফেটে গেছে। জেলা সদস্য সচিব মুবিনকে রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এমনকি আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথেও পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, স্থানীয় প্রতিনিধিদের গালিগালাজ করার পরও এনসিপি নেতারা যে জনরোষের মুখে পড়ছেন না, তা তাদের সৌভাগ্য। তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপি নেতারা ইচ্ছাকৃতভাবে ভিক্টিম কার্ড খেলার পরিবেশ তৈরি করছেন এবং আওয়ামী লীগের বিচারের বদলে বিএনপির নেতাদের গালিগালাজ করছেন।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি জানান, অশালীন বক্তব্য দিয়ে শহরকে অস্থিতিশীল করার দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে। এই ঘটনার সাথে ছাত্রদলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বরং বিক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ ধাওয়া দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
হবিগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে হামলা ও সংঘর্ষে সারজিস আলমসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী রাশেদ খাঁন এনসিপি নেতাদের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন।


0 Comments