জর্ডানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন করে চরম আকার ধারণ করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এই হামলায় আরও একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন এবং আহত চার সেনাকে জর্ডানের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। টানা অষ্টম রাতের এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি মোকাবিলা করা এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্যদের শাস্তি দেওয়া। গত এক সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বাড়ায় প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অবিস্মরণীয় শিক্ষা’ দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্মত্যাগকে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমায় ইরানের ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। চলমান এই পরিস্থিতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে।
জর্ডানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরানে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত ও উত্তেজনা নিয়ে বিস্তারিত জানুন।


0 Comments