জর্ডানে ইরান ও তার মিত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন সেনা সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। গত শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, গত ১৭ জুলাই জর্ডানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। গত মার্চের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই প্রথম কোনো মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটল।
সেন্টকমের তথ্যমতে, হামলায় আহত আরও চার মার্কিন সেনাকে জর্ডানের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সামান্য আঘাত পাওয়া অন্য কয়েকজন সেনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে নিজেদের দায়িত্বে ফিরেছেন। নিহত সেনাদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হয়নি; নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের জানানোর ২৪ ঘণ্টা পর তাদের নাম প্রকাশ করা হবে।
এদিকে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এই সুনির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন বা সেন্টকম তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তারা আরও কঠোর জবাব দেবে। এছাড়া ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবিও করেছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের সাথে সমঝোতা হলেও যুক্তরাষ্ট্র সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করেনি।
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন। গত মার্চের পর এই প্রথম মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনা ঘটল বলে নিশ্চিত করেছে সেন্টকম।


0 Comments