আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইউরেশিয়া ডেইলির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) জানিয়েছে যে বর্তমানে তেলের মজুত কমে ৩১৯ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৯৮৩ সালের পর থেকে সর্বনিম্ন রেকর্ড। জো বাইডেনের প্রেসিডেন্সি চলাকালীন যে সর্বনিম্ন মজুত ছিল, বর্তমান পরিমাণ তার চেয়েও ২৭ মিলিয়ন ব্যারেল কম।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় ওয়াশিংটন বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। রাশিয়ার ন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি ফান্ডের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ইগর ইউশকভ জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় মজুত থেকে তেল উত্তোলনের নীতি গ্রহণ করেছে।
ইগর ইউশকভ আরও সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখনও পর্যাপ্ত তেল থাকলেও মজুত কমার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যায়। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন পশ্চিম এশিয়ার তেল বিশ্ববাজারে পৌঁছানোর সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। তবে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাবে ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত। বর্তমানে ৩১৯ মিলিয়ন ব্যারেল মজুত রয়েছে যা ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন রেকর্ড।


0 Comments