পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন অস্থায়ী পশুর বাজার নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে পদ হারালেন যুবদল নেতা” শীর্ষক সংবাদকে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে কক্সবাজার জেলা যুবদল। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ছৈয়দ মোহাম্মদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানও এই মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সামনে দুটি পৃথক পশুর বাজার বসেছিল—একটি কক্সবাজারের উখিয়া অংশে এবং অন্যটি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি অংশে। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি, যার সাথে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অন্যদিকে, উখিয়া অংশের বাজারটি পরিচালনা করেন ওসমানের আপন ভাই আনোয়ার। বাজার দুটি মুখোমুখি হওয়ায় সেখানে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল নেতারা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করেন। উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের অনুরোধে যুবদল নেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সক্রিয় সহযোগিতা করেন।
তবে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মাইকে প্রচার করেন যে, যুবদল নেতারা সেখানে চাঁদাবাজি করতে এসেছেন। এই উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওসমান সরওয়ারকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। জেলা যুবদল স্পষ্ট করেছে যে, চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং তারা মূলত শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছেন। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
উখিয়ায় গরুর বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেছে কক্সবাজার জেলা যুবদল। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি।

0 Comments