তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সংগঠন এনসিপির বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড মদের বারে পরিচালিত হচ্ছে শুনে সন্তোষ প্রকাশ করে কটাক্ষ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, সংগঠনের আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতেই হয়তো এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এনসিপিতে বিদেশ ফেরত এবং আন্তর্জাতিক এনজিওর সাথে যুক্ত অনেক নেতা রয়েছেন, যাদের কাছে মদের বারে বসে আড্ডা দেওয়া বা কাজ করা একটি স্বাভাবিক বিষয়।
বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, এনসিপির ধর্মভীরু নারী নেত্রীদের জন্য মদের বারে সাংগঠনিক কাজে অংশ নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। তিনি সুজাউদ্দিন নামের এক নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নেওয়ার সমালোচনা করে বলেন, ভুক্তভোগী নারী নেত্রী অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার পাননি। উল্টো সুজাউদ্দিনের রাজনৈতিক অবস্থান রক্ষায় ওই নারীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে আসা নেতাদের প্রকৃত অবস্থান আসলে কী?
এনসিপির বর্তমান নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংগঠনটি যদি রাজপথের প্রকৃত কর্মী বা জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হতো, তবে আজ অন্য দলগুলোই এনসিপির সাথে যুক্ত হতো। তিনি অভিযোগ করেন, নাহিদ ইসলামরা সুজাউদ্দিনের মতো ব্যক্তিদের ফেক বিপ্লবী বানাচ্ছেন, যারা কখনো রাজপথে নামেননি। রাশেদ খাঁনের মতে, এনসিপিতে বর্তমানে প্রকৃত বিপ্লবীর সংখ্যা খুবই সীমিত এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী সুবিধাবাদীদের দাপট চলছে। কেন প্রকৃত বিপ্লবীরা এই সংগঠন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, তা এনসিপির শীর্ষ নেতাদের ভেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম মদের বারে হওয়া এবং সুজাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।


0 Comments