কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স দীর্ঘ ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। শনিবার সকালে এসব বাক্স থেকে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন জানিয়েছেন, বর্তমানে মসজিদের তহবিলে মোট ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা জমা রয়েছে। সোহানা নাসরিন আরও জানান, দেশি-বিদেশি দাতাদের সুবিধার্থে মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে অনুদান পাঠানো সম্ভব হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা অনুদান সংগৃহীত হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টায় নরসুন্দা নদীর তীরের এই মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসনা খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মসজিদের দ্বিতীয় তলায় ৫৯০ সদস্যের একটি দল টাকা গণনার কাজ পরিচালনা করছেন। এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল।
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। বর্তমানে মসজিদের মোট তহবিলের পরিমাণ ১১৪ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।


0 Comments