ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বুয়েনস এইরেসের আদালতে চলা বিচারিক কার্যক্রমে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মনোবিদ কার্লোস দিয়াজ আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে দাবি করেছেন, ম্যারাডোনা বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে ভুগছিলেন। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক অবস্থার বিপরীতমুখী পরিবর্তনকে বাইপোলার ডিজঅর্ডার এবং নিজের প্রতি অতিমাত্রায় মুগ্ধ থাকাকে নার্সিসিজম বলা হয়। ৩৪ বছর বয়সী দিয়াজের বিরুদ্ধে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় ভুল ওষুধ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে। তবে আদালতে তিনি বলেন, ম্যারাডোনা ফুটবল দিয়ে বিশ্বকে মুগ্ধ করলেও অ্যালকোহল আসক্তি তাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিচারণা করে দিয়াজ জানান, ম্যারাডোনা তখন সোফায় বসে ওয়াইন পান করছিলেন। তিনি আরও দাবি করেন, ম্যারাডোনার জন্য অ্যালকোহলমুক্ত বিশেষ চিকিৎসা পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং মৃত্যুর আগের ২৩ দিন তিনি কোনো মাদক নেননি বলে টক্সিকোলজি রিপোর্টেও প্রমাণিত হয়েছে। একই দিনে সাক্ষ্য দেন নিউরোসার্জন লিওপোল্ডো লুকে। তিনি জানান, ম্যারাডোনার জন্য বাড়িতে যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল তা যথাযথ ছিল। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। তার মৃত্যুতে চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, আদালত এখন সেই রহস্যেরই কিনারা করার চেষ্টা করছে।
ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মনোবিদ কার্লোস দিয়াজ। তিনি দাবি করেছেন, কিংবদন্তি এই ফুটবলার বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে তার চিকিৎসা নিয়ে চলছে বিচারিক কার্যক্রম।
সূত্র: প্রথম আলো

0 Comments