চট্টগ্রামে বর্তমানে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫০ জনে। চিকিৎসকদের মতে, থ্যালাসেমিয়া মূলত একটি জিনগত রোগ। বাবা ও মা উভয়েই যদি এই রোগের বাহক হন, তবে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। সাধারণ মানুষের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন হলেও ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিনের কারণে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অনেক কমে যায়। এর ফলে অপরিপক্ক অবস্থায় লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে গিয়ে শরীরে তীব্র রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া দেখা দেয়। মূলত সচেতনতার অভাবেই এই রোগের বিস্তার ঘটছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সংক্ষেপে:
চট্টগ্রামে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ৪৫০ জনে পৌঁছেছে। এটি একটি জিনগত রোগ যা বাবা-মা উভয়ে বাহক হলে সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। রক্তস্বল্পতা ও সচেতনতার অভাব এই রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
চট্টগ্রামে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ৪৫০ জনে পৌঁছেছে। এটি একটি জিনগত রোগ যা বাবা-মা উভয়ে বাহক হলে সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। রক্তস্বল্পতা ও সচেতনতার অভাব এই রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

0 Comments