জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামী এবং দলটির পক্ষ থেকে নির্বাচিত ৬৬ জন সংসদ সদস্য এই রিট মামলায় বিবাদী হিসেবে গত সপ্তাহে পক্ষভুক্ত হয়েছেন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) এই মামলায় বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছে, যা বর্তমানে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্টের দুইজন আইনজীবী পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ৩ মার্চ হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। রুলে ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। অধ্যাদেশের ৩ ধারায় গণভোটের চারটি প্রশ্ন এবং তফসিলে জুলাই জাতীয় সনদের ৩০টি ঐকমত্যের বিষয় উল্লেখ রয়েছে।
অন্য একটি রিটের প্রেক্ষিতে দেওয়া রুলে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আইনসচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সোমবার রিট দুটি আদালতের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য নতুন এই দিন ধার্য করেন।
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল শুনানির জন্য ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। এই রিটে জামায়াতে ইসলামীর ৬৬ জন সংসদ সদস্য বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত হয়েছেন।

0 Comments