সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা। রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি’ ভাস্কর্য চত্বর থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার, প্রশাসনিক ভবন ও বিভিন্ন অনুষদ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে ছাত্রশক্তির নেতারা সীমান্ত হত্যা নিয়ে বর্তমান সরকারের নীরবতার কঠোর সমালোচনা করেন। তারা বলেন, সীমান্তে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে আরও আন্তরিক ও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। সংগঠনের জবি শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, ভারত সরকার সীমান্তে যে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিতে হবে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ভারতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু মুসলিমকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির আগেই সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তারা। এছাড়া দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে বক্তারা স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারাই টিকে থাকবে যারা দেশের মানুষের অধিকার ও সীমান্ত রক্ষা নিয়ে কথা বলবে।
সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের জোরালো ভূমিকা দাবি করেছেন তারা।

0 Comments