স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে চারটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো হলো ক্যাম্পের নিরাপত্তা, শরণার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রত্যাবাসন এবং ক্যাম্পে মাদকসহ অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণ। তিনি জানান, সরকার এসব বিষয়ে কাজ করছে।
হাইকমিশনার বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিয়মিত আলোচনা হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে যুক্তরাজ্য কাজ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো যুক্তরাজ্যও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে বিশ্বাসী।
বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, রোহিঙ্গা সংকট, পুলিশ সংস্কার, অবৈধ ও অনিয়মিত অভিবাসন, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভিসা প্রতারণা বন্ধে দুই দেশের মধ্যে শিগগিরই একটি চুক্তি সই করা হবে। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য একটি খসড়া পাঠিয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা স্বাক্ষর করা হবে। তিনি পুলিশ সংস্কারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাও কামনা করেন। উভয় দেশ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও বন্দী প্রত্যর্পণ বিষয়ে একমত পোষণ করে।
হাইকমিশনার জানান, আগামী ১৬-১৭ মার্চ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনের সাইডলাইনে দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
0 Comments