সাধারণত জেলা পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যেই জেলা পরিষদগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ এবং মেহেরপুরে মো. জাভেদ মাসুদ।
এছাড়া কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন ও পিরোজপুরে আলমগীর হোসেনকে প্রশাসক করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (অ্যাড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান এবং শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিনকেও প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরীকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
0 Comments