স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘ প্রায় ১৫০ বছরে এখানে কখনো কোনো ধর্মীয় দ্বন্দ্ব দেখা যায়নি। বরং মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ একে অপরকে সহযোগিতা করে নামাজ ও পূজার আয়োজন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করছেন। মন্দিরের পুরোহিত বলেন, “মসজিদের নামাজের সময় যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে দিকে আমরা খেয়াল রাখি।” অপরদিকে মসজিদের মুসল্লিরা জানিয়েছেন, হিন্দুদের পূজা নির্বিঘ্নে করতে মুসলিম সমাজও সহযোগিতা করে আসছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী বিশ্বনাথ দত্ত জানান, আজান হলে মুসল্লিরা নামাজ পড়েন, আবার পূজার সময় অনুষ্ঠানও নির্বিঘ্নে চলে। ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ইয়াসিন বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়কে সবসময় সহযোগিতা করা হয়।
স্থানীয়দের মতে, একই আঙিনায় দুই সম্প্রদায়ের মানুষ যে সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন, তা সামাজিক বন্ধনের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রবীণরা মনে করেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছেও এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা রহমান জানান, বছরের পর বছর ধরে নির্বিঘ্নে চলছে মসজিদ-মন্দিরের কার্যক্রম। আসন্ন দুর্গাপূজাও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
0 Comments