অভিযানের সময় অপরাধীরা পালিয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। অভিযানে ২২০ সদস্য অংশ নেয়।
র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. কামরুল হাসান বলেন, মহেশখালীর গহীন পাহাড়ে কয়েকটি গ্রুপ অস্ত্র তৈরি ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করছে। এলাকাটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর পাশেই সরকারি এসপিএম প্রকল্প, ১২০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ কাজ চলছে। তাই অপরাধমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চলবে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র মো. জসিম উদ্দিন জানান, অপরাধীদের গ্রেফতারে আরও অভিযান জোরদার করা হবে।
0 Comments